Welcome to the Tafsir Tool!
This allows users to review and suggest improvements to the existing tafsirs.
If you'd like to contribute to improving this tafsir, simply click the Request Access button below to send a request to the admin. Once approved, you'll be able to start suggesting improvements to this tafsir.
ফিরআউন আপন দেশে পরাক্রমশালী হয়েছিল[১] এবং সেখানকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে[২] ওদের একটি শ্রেণীকে সে হীনবল করেছিল;[৩] সে ওদের পুত্রদেরকে হত্যা করত[৪] এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত। নিঃসন্দেহে সে ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।
[১] যুলুম ও অত্যাচারের বাজার গরম করে রেখেছিল, আর সে নিজেকে বড় উপাস্য বলে ঘোষণা করেছিল।
[২] যাদের উপর ভিন্ন ভিন্ন কাজ ও কর্তব্য ন্যস্ত ছিল।
[৩] এ থেকে বানী ইস্রাঈলদেরকে বুঝানো হয়েছে; যারা ছিল সে কালের সর্বোত্তম জাতি। কিন্তু আল্লাহর পরীক্ষা স্বরূপ তারা ফিরআউনের দাসে ও তার অত্যাচারের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছিল।
[৪] যার কারণ হল, কিছু জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী ছিল যে, বানী ইস্রাঈলদের মধ্যে এমন এক সন্তান জন্ম গ্রহণ করবে, যার হাতে ফিরআউন ও তার রাজত্ব ধ্বংস হবে। যার প্রতিকার ছিল তার নিকট এই যে, তাদের মধ্যে প্রতিটি নবজাত পুত্র-সন্তানকে হত্যা করে দেওয়া হবে। অথচ সে নির্বোধ এ চিন্তা করেনি যে, যদি জ্যোতিষী সত্যবাদী হয়, তাহলে তা হবেই; যদিও সে সন্তানদের হত্যা করতে থাকে। আর যদি সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে সন্তান হত্যার আদেশের কোনই প্রয়োজন ছিল না। (ফাতহুল কাদীর) কেউ কেউ বলেন, ইবরাহীম (আঃ) হতে এ সুসংবাদ প্রচার হয়ে আসছিল যে, তাঁরই বংশে এক সন্তান জন্ম-গ্রহণ করবে, যার হাতে মিসর রাজ্য ধ্বংস হবে। কিবত্বীরা এ সংবাদ বানী ইস্রাঈলদের নিকট হতে শোনার পর তা ফিরআউনের নিকট পৌঁছে দেয়। যার জন্য সে বানী ইস্রাঈলদের পুত্র-সন্তানদেরকে হত্যা করতে শুরু করে। (ইবনে কাসীর)