Welcome to the Tafsir Tool!
This allows users to review and suggest improvements to the existing tafsirs.
If you'd like to contribute to improving this tafsir, simply click the Request Access button below to send a request to the admin. Once approved, you'll be able to start suggesting improvements to this tafsir.
সৌজন্যের সাথে ছাড়া তোমরা গ্রন্থধারী (ইয়াহূদী ও খ্রিষ্টান)দের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক করো না;[১] তবে ওদের মধ্যে যারা সীমালংঘনকারী তাদের সাথে (তর্ক) নয়।[২] আর বল, ‘আমাদের প্রতি এবং তোমাদের প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তাতে আমরা বিশ্বাস করি[৩] এবং আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য তো একই এবং আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পণকারী।’
[১] কারণ, তারা জ্ঞানী; কথা বুঝার ক্ষমতা ও শক্তি রাখে। সুতরাং তাদের সাথে তর্ক-বিতর্কের সময় কড়া মেজাজ ও রূঢ় ভাষা হওয়া বাঞ্ছিত নয়।
[২] অর্থাৎ, যে তর্ক-বিতর্ক করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করবে, তার সাথে শক্ত ভঙ্গিমায় কথা বলার অনুমতি তোমাদের জন্যও রয়েছে। অনেকে প্রথম দলের অর্থ ঐ সকল আহলে কিতাব নিয়েছেন, যারা মুসলমান হয়ে গিয়েছিল এবং দ্বিতীয় দলের অর্থ ঐ সকল গ্রন্থধারীরা যারা মুসলমান হয়নি; বরং ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টান ধর্মের উপর অটল ছিল। আর অনেকে 'সীমালংঘনকারী'-এর অর্থ ঐ সকল আহলে কিতাব নিয়েছেন, যারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক মনোভাব রাখত এবং কলহ ও যুদ্ধও করতে থাকত। অর্থাৎ, তাদের সাথে (তর্ক নয় বরং) যুদ্ধ কর, যে পর্যন্ত না তারা মুসলমান হয়ে যায় অথবা জিযিয়া-কর আদায় করে।
[৩] অর্থাৎ, তাওরাত ও ইঞ্জীলে আমরা বিশ্বাস করি। অর্থাৎ, এটাও আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণকৃত এবং তা ইসলামী শরীয়ত প্রতিষ্ঠা এবং মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নবী হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহর বিধান।