Welcome to the Tafsir Tool!
This allows users to review and suggest improvements to the existing tafsirs.
If you'd like to contribute to improving this tafsir, simply click the Request Access button below to send a request to the admin. Once approved, you'll be able to start suggesting improvements to this tafsir.
সামূদ জাতির নিকট তাদের ভ্রাতা স্বালেহকে পাঠিয়েছিলাম।[১] সে বলেছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা (কেবল) আল্লাহর উপাসনা কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন (সত্যিকার) উপাস্য নেই। তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালক হতে একটি স্পষ্ট নিদর্শন এসেছে। এটি আল্লাহর উটনী তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন। এটিকে আল্লাহর জমিতে চরে খেতে দাও এবং এটিকে কোন ক্লেশ দিও না; দিলে তোমাদের উপর মর্মন্তুদ শাস্তি আপতিত হবে।
[১] সামূদগোত্র হিজায এবং সিরিয়ার মাঝে 'ওয়াদিউল ক্বুরা' নামক স্থানে বসবাস করত। হিজরী ৯ম সনে তাবুক যাওয়ার পথে রসূল (সাঃ) এবং তাঁর সাহাবীরা তাদের এই বাসস্থান হয়ে অতিক্রম করেন। তখন রসূল (সাঃ) তাঁর সাহাবীদের বলেছিলেন, শাস্তিপ্রাপ্ত কোন জাতির অঞ্চল হয়ে অতিক্রম করার সময় কাঁদতে কাঁদতে অর্থাৎ, আল্লাহর আযাব থেকে পানাহ চাইতে চাইতে অতিক্রম কর। (বুখারীঃ নামায অধ্যায়, মুসলিম যুহ্দ অধ্যায়) এদের কাছে সালেহ (আঃ) নবী হয়ে প্রেরিত হন। আর এ ঘটনা হল আ'দের পর। তারা তাদের নবীর কাছে পাথরের ভিতর থেকে একটি উটনী বের করে দেখানোর দাবী করল এবং সেটাকে তারা বের হওয়ার সময় স্বচক্ষে দেখতে চাইল। সালেহ (আঃ) তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করলেন যে, উটনী বের হওয়ার পরও যদি তারা ঈমান না আনে, তবে তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। অতঃপর মহান আল্লাহ তাদের দাবী অনুযায়ী উটনী বের করে দেখিয়ে দিলেন। এই উটনী সম্পর্কে তাদেরকে তাকীদ করে দেওয়া হল যে, মন্দ নিয়তে কেউ যেন একে স্পর্শ না করে; করলে আল্লাহর শাস্তির শিকার হবে। তা সত্ত্বেও এই যালিমরা সেই উটনীকে হত্যা করে। এর তিনদিন পর তাদেরকে (صَيْحَةٌ) প্রচন্ড গর্জনের (এবং رَجْفَةٌ কম্পনের) আযাব দ্বারা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আর তারা তাদের ঘরের মধ্যে উপুড় হয়ে পড়ে থাকে।